আমেরিকা ও ইসরায়েল এর সমন্বিত আক্রমনে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। ইরানি সূত্রমতে, মৃত্যুর সময় শনিবার সকালে তিনি নিজ কার্যালয়ে কর্তব্যরত ছিলেন। কিন্তু স্যাটেলাইট থেকে ধারণকৃত ছবিতে এটা স্পষ্ট যে, বাঙ্কার বিধ্বংসী বোমা দিয়ে আঘাত করে খামেনিকে মারা হয়। যা নির্দেশ করে যে, খামেনি লুকায়িত ছিলেন কিন্তু আমেরিকা-ইসরায়েলের কাছে তার স্পষ্ট তথ্য ছিল।
- তার মৃত্যুর পর মিডিয়াতে দেখা যায়, দেশের জনতা রাস্তায় নেমে দুঃখ প্রকাশ করছেন। আবার কিছু মিডিয়া উল্লেখ করে, মানুষ উল্লাস করছে। যেমন ভারতীয় NDTV (https://www.youtube.com/watch?v=2JV0stY-Wig)। কিন্তু তারা ভিডিও ফুটেজ না দেখিয়ে একটা ছবির সাথে অডিও চালায়।
০২ মার্চ ২০২৬
আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসের সামনে বলেন যে, ইরান চুক্তির মাধ্যমে পরমাণু কর্মসূচি থেকে বিরত থাকায় রাজি হচ্ছিল না তাই তিনি আক্রমণ করেন। তার মতে এটাই উপযুক্ত সময় ছিল আক্রমণ করার নতুবা ইরান এমন ক্ষেপনাস্ত্র বানিয়ে ফেলত যা সরাসরি আমেরিকায় আঘাত হানতে পারে এবং পারমানবিক বোমাও বানিয়ে ফেলত। কিন্তু ইনটেলিজেন্স রিপোর্ট মতে, ইরানের এমন সক্ষমতা অর্জন করতে নিম্নপক্ষে আরোও ৮ বছর সময় প্রয়োজন হত।